সাম্প্রতিকখাদ্য ও পুষ্টিপপুলার আর্টিকেলস্বাস্থ্য সমস্যা

মাথাব্যথা: কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা – Causes, Symptoms and Treatment of Headache

Headache বা মাথাব্যথা

Headache বা মাথাব্যথা একটি খুব কমন সমস্যা যা আমাদের মাথা বা ঘাড়ে ব্যাথা এবং অস্বস্তি সৃষ্টি করে। ধারনা করা হয় যে প্রতি ১০ জনের মাঝে ৭ জন দিনের কোনোনা কোন সময় মাথাব্যথা অনুভব করে থাকেন।Headache বা মাথাব্যথা মাঝে মাঝে হালকা হতে পারে তবে অনেক ক্ষেত্রে তা এত তীব্র হয় যে, তা কাজে মনোনিবেশ করা এবং অন্যান্য দৈনন্দিন কাজকর্ম সম্পাদন করতে অসুবিধা সৃষ্টি করে।

আমেরিকার একটি গবেষনায় দেখা যায় যে, প্রায় ৪৫ মিলিয়ন আমেরিকান প্রায়শই গুরুতর মাথা ব্যথা ‘র কারণে কাজে অপারগ বা অক্ষম হন। তবে সৌভাগ্যের বিষয় যে, বেশিরভাগ মাথাব্যথা সামান্য ওষুধ এবং জীবনযাত্রা (Lifestyle) পরিবর্তন করে নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

 ভাল থাকুন ডট কম – www.valothakun.com এর আজকের লিখা মাথাব্যথা: কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা –  Causes, Symptoms and Treatment of Headache

Headache বা মাথাব্যথার কারণ:

প্রধানত দুই রকমের মাথা ব্যথা হয়

ক. প্রাইমারি Headache বা  প্রাইমারি মাথা ব্যথা: যা কিনা মোট মাথা ব্যাথার ৮০-৯০ শতাংশ

খ. সেকেন্ডারি Headache বা সেকেন্ডারি মাথা ব্যথা: অন্য কোন রোগের কারণে হয়।

প্রইমারি Headache বা প্রইমারি মাথাব্যথা

চিকিৎসকরা প্রইমারি Headache বা মাথাব্যথা ‘র বিভিন্ন কারণ চিহ্নিত করেছেন। এগুলো তৈরী হয় আমাদের মাথার ভিতরে মস্তিস্কের অন্তর্নিহিত প্রক্রিয়ার ফলাফল হিসেবে। এগুলো কোনো রোগের সাথে সম্পর্কিত না। প্রাইমারি মাথা ব্যথার উদাহরণ- Migrain Headache বা মাইগ্রেইন, Cluster Headache বা ক্লাস্টার হেডেকে, Tension Type Headache বা টেনশন টাইপ মাথাব্যথা ইত্যাদি।

 

সেকেন্ডারি Headache বা মাথাব্যথা

মাথার বা শরীরের অন্য কোন রোগের কারণে সেকেন্ডারি Headache বা মাথাব্যথা হয়। সেকেন্ডারি Headache বা মাথাব্যথা ‘র প্রধান কারণগুলো হল-



মস্তিষ্কের টিউমার (Brain Tumor) বা মস্তিষ্কের অ্যানিউরিজম (Brain Aneurism)

মস্তিষ্কের টিউমার বা মস্তিষ্কের অ্যানিউরিজম (মস্তিষ্কের রক্তপাত) যদি থাকে তবে মৃদু থেকে তীব্র মাথা ব্যথা হতে পারে। সাধারণত টিউমারটি বড় হতে থাকলে বা অ্যানিউরিজম রাপচার হয়ে রক্তক্ষরণ হলে মাথার ভিতর ব্রেইনের উপর চাপের ফলে এই মাথাব্যথা সৃষ্টি হয়।

 

ঘার ব্যাথরা (Neck Pain) -এর জন্য মাথাব্যথা

ঘারে বা সারভাইকাল রিজিওনের মেরুদন্ডের হাড্ডি বা ডিক্সের কোন সমস্যার (যেমন- সারভাইকাল অস্টিও আর্থ্রইটিস, ডিসক প্রোলাপস ইত্যাদি) কারণে  ঘার ব্যথার সাথে সাথে Headache বা মাথাব্যথা ও হতে পারে।

Medication Overuse Headache বা অতিরিক্ত ঔষধ ব্যবহারের ফলে মাথাব্যথা

যদি কোনও ব্যক্তি অনেকদিন ধরে প্রতিদিন কোনোনাকোন কারণে ব্যথার ওষুধ গ্রহণ করে থাকেন এবং সেগুলি হঠাৎ পুরোপুরি বন্ধ করে দেন তবে এই Medication Overuse Headache হতে পারে।

 মাথাব্যথা: কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা –  Causes, Symptoms and Treatment of Headache –   ভাল থাকুন ডট কম – www.valothakun.com এর আজকের লিখা

Meningitis বা মেনিনজাইটিস জনিত মাথাব্যথা

মেনিনজাইটিস হ’ল ব্রেইনের আবরন মেনিঞ্জেসের ইনফেকশন, যা প্রচন্ড Headache বা মাথাব্যথা তৈরী করে এবং এর জরুরী চিকিৎসা প্রয়োজন হয়।



আঘাতজনিত পরবর্তী মাথাব্যথা

কখনো কখনো কোনো ব্যক্তি মাথার আঘাতের পরে অনেক দিন পর্যন্ত মাথাব্যথা অনুভব করে থাকেন। পড়ে যাওয়া, গাড়ি দুর্ঘটনা ইত্যাদির কারণে মাথায় বড় কোন আঘাত না পেলেও অনেকে অনেক দিন ধরে মাথা ব্যথা অনুভব করেন। আর বড় কোন আঘাতে তীব্র মাথা ব্যথার সাথে ব্রেইনে বড় ক্ষতি হতে পারে।

সাইনাস জনিত মাথাব্যথা (Sinus Headache)

অনেকেরই ছোটবেলা থেকে শ্বর্দির সমস্যা থাকে। সাইনুসাইটিসের কারণে অনেকে মৃদু থেকে মধ্যম রকম মাথাব্যথা অনুভব করতে পারেন।

মেরুদণ্ডের জন্য মাথাব্যথা

ব্রেইনের সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইডের (এক ধরনের স্বচ্ছ তরল) সাথে মেরুদন্ডের সেরিব্রোস্পাইনাল ফ্লুইডের সরাসরি সম্পর্ক আছে। মেরুদন্ডের কোন রোগ বা ইনফেকশন সহজে মাথাব্যথা সৃষ্টি করতে পারে।

এরকম আরো অনেক কারণ যেমন, চোখের বা কানের সমস্য, বিভিন্ন হরমোনের সমস্যার কারণে মাথাব্যথা হতে পারে।



প্রাইমারি Headache বা প্রাইমারি মাথাব্যথা ‘র বিস্তারিত:

প্রাইমারি মাথব্যথাই আমাদের সবচেয়ে বেশি পরিমানে হয়। এগুলো কোন পরীক্ষায় ধরা পরেনা এবং আমাদেরকে বেশি কষ্ট দেয়। যদিও সাধারণত শরীরের তেমন কোন ক্ষতি করেনা তবু অবহেলা করলে স্থায়ী ভাবে চোখের ক্ষতি হতে পারে এবং দৈনান্দন কাজকর্ম কঠিন হয়ে উঠতে পারে। নিচে প্রাইমারি মাথাব্যথা গুলো আলোচনা করছি।

Tension Type Headache বা টেনশন টাইপ মাথাব্যথা

Tension Type Headache বা টেনশন টাইপ মাথাব্যথা হ’ল মাথা ব্যথার সবচেয়ে কমন কারণ এবং ২০ বছরের বেশি বয়সের মহিলাদের মধ্যে প্রায়শই ঘন ঘন Tension Type Headache বা টেনশন টাইপ মাথাব্যথা হতে দেখা যায়। মাসিকের সময়, দুশ্চিন্তা করলে বা  রাগ বা উত্তেজিত হলে এই মাথা ব্যথা হয়। এখানে টেনশন বলতে দুশ্চিন্তা বুঝনো হয়নি। আসলে কোন কারনে ঘার বা মাথার পেশিগুলো টান টান (টেনশন) হয়ে উঠলে এই  মাথা ব্যথা হয়।

Tension Type Headache বা টেনশন টাইপ মাথা ব্যাথা যখন হয় তখন এর লক্ষণগুলো নিম্নরূপ হয়

  • ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া
  • ব্যথা যা নিস্তেজ বোধ করা
  • মাথার ত্বকে ব্যথা অনুভব হওয়া
  • কাঁধ শক্ত হওয়া, ইত্যাদি।
  • কপাল, মাধার দুপাশে বা পিছনে চাপ অনুভূত হতে পারে।

Tension Type Headache বা টেনশন টাইপ মাথাব্যথা সাধারণত কয়েক মিনিটের জন্য স্থায়ী হয় তবে কিছু ক্ষেত্রে এই মাথাব্যথা কয়েক দিন স্থায়ী হতে পারে। Tension Type Headache বা টেনশন টাইপ মাথাব্যথা যাদের হয় তাদের কয়েকদিন বা মাস পরপর এই ব্যথা বার বার হয়।

 পড়ুন ভাল থাকুন ডট কম – www.valothakun.com এর আজকের গুরুত্বপূর্ণ লিখা মাথাব্যথা: কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা –  Causes, Symptoms and Treatment of Headache

Cluster Headache বা  ক্লাস্টার হেডেক

Cluster Headache বা  ক্লাস্টার মাথাব্যথা হ’ল প্রচন্ড মাথাব্যথা যা সাধারণত চোখের পিছনে বা এক পাশে অনুভূত হয়। এই মাথা ব্যথায় চোখ দিয়ে পানি পড়তে পারে সাথে স্বর্দি হয়। এই ব্যথাও বারবার হয় এবং একটা ক্লাস্টার সময় ধরে নিয়মিত ভাবে হয়। যেমন মাসে একবার বা ৩ মাসে একবার। এই Headache বা মাথাব্যথা সাধারণত কয়েকদিন ধরে থাকে। এমনকি অনেকের ক্ষেত্রে ৬ সপ্ততাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।

Cluster Headache বা  ক্লাস্টার মাথাব্যথা দিনে একবার বা একাধিকবার হতে পারে। এই মাথা ব্যথার কারণ অজানা এবং এই মাথাব্যথা সাধারণত ২০ থেকে ৪০ বছর বয়সী পুরুষদের বেশি হয়।



লক্ষণ:

  • Cluster Headache বা ক্লাস্টার মাথাব্যথার সময়কাল সাধারনত স্বল্প
  • চোখের পিছনে ব্যথা হয়
  • ব্যথা সাধারনত যেকোন একদিকে থাকে
  • একজন ব্যক্তির বিছানায় যাওয়ার পরে ঘুমের মাঝে প্রায় এক থেকে দুই ঘন্টা পরে ক্লাস্টারের মাথা ব্যথা হয়।
  • এ মাথা ব্যথায় মাইগ্রেনের মতো কিছু লক্ষণ থাকতে পারে
  • তবে বমি বমি ভাব এ মাথা ব্যথায় হয় না।

 

Migraine Headache বা মাইগ্রেনের মাথাব্যথা

মাইগ্রেনের মাথাব্যথা গুরুতর মাথা ব্যথা। সাধারণত মাথার একপাশে, তীব্র ব্যথা অনুভুত হয়। Migraine Headache বা মাইগ্রেনের মাথাব্যথা এক দিন থেকে ২ সপ্তাহ পর্যন্ত টানা থাকতে পারে।

Migraine Headache বা মাইগ্রেনের মাথাব্যথা ‘র একটা ধরন হল হেমিপ্লেজিক মাইগ্রেন, যাতে স্ট্রোকের মতো লক্ষণ দেখা দেয়।

আবার, একজন ব্যক্তি মাথা ব্যথা ছাড়াও মাইগ্রেনের অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারেন। তখন তার বমি বমি ভাব হয় চোখে দেখতে সমস্যা হয় বা মাথা ঘুরার অনুভব পারে।



Migraine Headache বা মাইগ্রেনের মাথা ব্যথা ‘র  লক্ষণ:

  • মাথার মধ্যে অস্থরিতা অনুভব হতে পারে
  • বমি বমি ভাব হয়
  • মাথার একপাশে ব্যথা
  • উচ্চ শব্দে এবং আলোতে গেলে খুব খারাপ লাগে
  • অন্ধকার ঘরে শুয়ে থাকলে ভাল লাগে
  • প্রচন্ড মাথা ব্যথা হয়
  • চোখে প্যারালাইসি বা দৃষ্টির সমস্যা হতে পারে।

যাদের মাইগ্রেনের সমস্যা আছে তাদের জন্য দৈনন্দিন কাজকর্ম করা অনেক সমই কঠিন হয়ে পরে।

 

Rebound Headache বা রিবাউন্ড মাথাব্যথা

Rebound Headache বা রিবাউন্ড মাথাব্যথা হল যেকোন মাথাব্যথা চিকিৎসার জন্য নিয়মিত ব্যবহৃত ওষুধ খাওয়া হঠাৎ বন্ধ করার পরে যে প্রচন্ড মাথা ব্যথা হয় সেটা। কোনো ব্যক্তি যদি এসিটামিনোফেন, ট্রিপট্যানস (জমিগ, ইমিট্রেক্স), এরগোটামাইন (এরগোমার) এবং ব্যথানাশক (কোডিনযুক্ত টাইলেনলের মতো) জাতীয় ঔষধ গ্রহণ করার পর হঠাৎ তা বন্ধ করেন তবে গুরুতর মাথাব্যথা হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

Rebound Headache বা রিবাউন্ড মাথাব্যথা যাদের হয় তাদের প্রায় প্রতিদিন হয় এবং সাধারনত সকালে বেশি ব্যথা হয়। এ মাথা ব্যথা তে নিয়মিত ওষুধ ব্যবহার করলে উপকার পাওয়া যায়।তবে ঔষধ বন্ধ করলে তা আবার হয়। Rebound Headache বা রিবাউন্ড মাথাব্যথা ‘র অন্যান্য লক্ষণগুলির মধ্যে রয়েছে:

  • বিরক্ত অনুভুত হওয়া
  • বমি বমি ভাব
  • অস্থিরতা
  • গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখতে সমস্যা

মাথাব্যথার প্রকৃতি সাধারনত নির্ভর করে কোন ধরনের ঔষধ বন্ধ করার পর এই ব্যথা শুরু হয়েছে।



Thunderclap Headache বা থান্ডারক্ল্যাপ মাথাব্যথা

Thunderclap Headache বা থান্ডারক্ল্যাপ মাথাব্যথা হল প্রচন্ড মাথাব্যথা যা হঠাৎ করেই শুরু হয়। সাধারণত কোন লক্ষণ ছাড়াই শুরু হয় এবং পাঁচ মিনিট অবধি থাকে। এই মাথাব্যথা মস্তিষ্কে রক্তনালীগুলোর সাথে সম্পর্কিত এবং এই মাথা ব্যথা হলে অবশ্যই চেকআপ করা উচিৎ এবং চিকিৎসা করা উচিৎ।

 

মাথাব্যথা নির্ণয়ের Investigations বা পরীক্ষা

সাধারণত আপনার চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করলে তিনিই আপনাকে একটা ধারণা দিবেন কোন ধরনের মাথাব্যথা তে আপনি ভুগছেন। তবে লক্ষণ মারাত্মক হলে অথবা ব্যথা ভাল না হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযয়ী নিচের পরীক্ষা গুলো করা যায়-

১. CBC (সিবিসি), একটি রক্ত ​​পরীক্ষা যা সংক্রমণের লক্ষণগুলি দেখাতে পারে

২. X-Ray Skull (মাথার এক্স-রে)

৩. সাইনাস এক্স-রে

৪. মাথা সিটি বা এমআরআই স্ক্যান

৫. CSF স্টাডি, ইত্যাদি।



কখন ডাক্তারের সাথে দেখা করতে হবে

বেশিরভাগ মাথাব্যথা তেমন মারাত্মক নয়। তবে মাথার আঘাতের পরে মাথাব্যথা হলে, বা যেকোন কারণে তীব্র মাথা ব্যথা হলে আপনার ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করা উচিৎ। নিম্নলিখিত লক্ষণগুলোর সাথে মাথাব্যথা থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিৎ-

 

  • জ্বর
  • বমি
  • মুখের অসাড়তা
  • হঠাৎ ঝাপসা দৃষ্টি
  • একপাশে হাত বা পা দুর্বলতা
  • খিঁচুনি
  • চোখের চারপাশে প্রচুর ব্যথা
  • গলা ব্যথা
  • মাথাব্যথা প্রচন্ড বেড়ে গেলে

পড়ছেন ভাল থাকুন ডট কম – www.valothakun.com এর আজকের স্বাস্থ্য ব্লগ মাথাব্যথা: কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা –  Causes, Symptoms and Treatment of Headache

Headache বা মাথাব্যথা ‘র চিকিৎসা

মাথাব্যথার চিকৎসা নির্ভর করে মাথাব্যথার কারণের উপর। সেকেন্ডারি মাথাব্যথা গুলো সেকেন্ডারি রোগের সফল চিকিৎসা করলে মাথাব্যথা চলে যায়। আর প্রাইমরি মাথা ব্যাথাগুলোর তেমন চিকিৎসা লাগেনা। তবে লক্ষণ বাড়লে চিকিৎসকরে পরামর্শ অনুযায়ী প্যারাসিট্যামল ঔষধ ও প্রয়োজনে ব্যথার ঔষধ যেমন- অ্যাসপিরিন, এসিটামিনোফেন (টাইলেনল), বা আইবুপ্রোফেন (অ্যাডভিল) খাওয়া যায়।

ঔষধের সাথে নিচের বিষয় গুলো খেয়াল রাখতে হবে-

  • দৈনন্দিন স্ট্রেস কমানো
  • হাসি খুশি থাকা
  • পর্যাপ্ত পরিমানে বিশ্রাম নেয়া এবং প্রতিদিন কমপক্ষে ৬-৭ ঘন্টা ঘুমানো
  • হালকা বা মাঝারি মানের ব্যায়াম করা
  • ওজন কমানো
  • পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ
  • পর্যাপ্ত পরিমানে পানি পান করা, ইত্যাদি।

প্রতি মাসে তিন বা ততোধিক বার মাথাব্যথা দেখা দিলে প্রতিরোধমূলক চিকিত্সা ব্যব্হার করা উচিৎ হয়। সুমাট্রপটন একটি ড্রাগ যা সাধারণত মাইগ্রেনের মাথাব্যথার নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহৃত হয়। দীর্ঘস্থায়ী মাইগ্রেন বা ক্লাস্টার মাথাব্যথার চিকিৎসায় বা প্রতিরোধে ব্যবহার করা হয় এমন অন্যান্য ওষুধগুলি হ’ল:- –

  • বিটা ব্লকারস (প্রোপ্রানলল, অ্যাটেনলল)
  • ভেরাপামিল (ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার)
  • মেথাইসারগাইড ম্যালেট (রক্তনালীর সংকোচন হ্রাস করতে সহায়তা করে)
  • অ্যামিট্রিপ্টাইলাইন (অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট)
  • ভ্যালপ্রিক অ্যাসিড (এন্টি কনভালসেন্ট()
  • dihydroergotamine
  • লিথিয়াম
  • টোপিরামেট, ইত্যাদি

প্রত্যেকটি ওষুধের মারাত্মক পার্শ প্রতিক্রিয়া আছে। এসব ঔষধ ব্যবহার করার পূর্বে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন এবং যতই ব্যথা থাকুক নির্ধারিত ডোজের অতিরিক্ত সেবন করবেন না। এছাড়াও আরো কিছু ঔষধ আছে যা প্রয়োজনে আপনার চিকিৎসক প্রেসক্রাইব করবেন।

মাইগ্রেইন Headache বা মাথাব্যথা অনেকেরই হয় বলে সেটা সম্পর্কে পরের আর্টিকেলে আপনাদের জন্য লিখব বলে আশা করছি।

————————————————————-

ডা. হাসান ইবনে আমিন

 

 আরো পড়ুন

Happiness বা সুখি হওয়া

 

One thought on “মাথাব্যথা: কারণ, লক্ষণ এবং চিকিৎসা – Causes, Symptoms and Treatment of Headache

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Cyclone Michaung, nine killed in floods. দক্ষিণ ভারতে ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের তাণ্ডব।